আতশবাজিতে মেতেছে সারাদেশ নববর্ষ উদযাপনে

ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে ঘড়ির কাঁটা ১২টা অতিক্রমের সাথে সাথে ঢাকা নগরীতে ফানুস ও আতশবাজিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠে রাজধানী ঢাকা। নববর্ষকে বরণের মধ্য দিয়ে কালের গর্ভে হারিয়ে গেলো আরও একটি বছর। বিদায় ইংরেজি ২০২১। স্বাগত ২০২২।

এদিকে নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনার মধ্যে স্বাস্থ্য সতর্কতার অংশ হিসেবে এবার উদযাপনে কিছুটা কমতি থাকলেও উৎসব আনন্দে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে শুরু করেছে সারাদেশ।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও সার্বিক নিরাপত্তার কারণে থার্টি ফার্স্টে উন্মুক্ত স্থানে যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এছাড়া বেশকিছু এলাকায় বহিরাগতদের চলাচলে ছিল নিষেধাজ্ঞা।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাঁধভাঙা উদযাপনের সঙ্গী হন শহরজুড়ে ভবনগুলোর বাসিন্দারা। বহুতল ভবনের ছাদে মিলিত হয়ে আতশবাজি ও ফানুস ওড়ান তাঁরা।

২০২১ সালের শেষ সূর্যাস্তের আগে–পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের জমায়েত হলেও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নির্দেশনার কারণে সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া অন্যদের চলে যেতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলোতে ছিল পুলিশের চেকপোস্ট। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেকটা ফাঁকাই হয়ে পড়ে।

ঘড়ির কাঁটা ১২টায় পৌঁছাতেই টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ ও সামনে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীরা ফানুস ওড়ান। একই সময়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসিসংলগ্ন ফটক থেকে ছোড়া হয় আতশবাজি। আতশবাজির আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে টিএসসি এলাকা। এ সময় শহরজুড়ে আতশবাজি ফোটানো হয়। পুলিশের নির্দেশনায় উন্মুক্ত স্থানে জড়ো হতে না পারলেও নিজেদের ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নগরবাসী।